মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন ২০১৪ এর আলোকে বোর্ড গঠন করা। শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত জনগোষ্ঠিকে সাক্ষরজ্ঞান দানের মাধ্যমে  নব্যসাক্ষরদের জীবনব্যপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে তাদেরকে আত্ম-কর্মসংস্থানের যোগ্যতা সৃষ্টি করা। বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করা। অত্র জেলায় বর্তমান অর্থাৎ  বছরে বাস্তবায়নের জন্য বিএলপি প্রকল্প (৬৪ জেলা) এর আওতায় মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৩০০(তিনশত)টি বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র চালু করে ৩৬০০০ জন (১৫-৪৫ বয়সী) নারী পুরুষকে সাক্ষরতাজ্ঞান দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া  উপজেলায় পরবর্তী পর্যায়ে  বযস্ক শিক্ষা কেন্দ্র চালু করা হবে।  জরিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কেন্দ্রঘর নির্বাচন করা ‍হয়েছে। মাস্টার ট্রেইনারদের মাধ্যম সুপারভাইজার ‍ও শিক্ষকদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ  দিয়ে কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রতিটি সিফটের জন্য ৩০ জন করে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিটি শিফটের জন্য একজন করে শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছে। প্রতি ২০টি কেন্দ্রের জন্য একজন করে সুপারভাইজার নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতি দুইটি শিফটের জন্য একটি কেন্দ্রঘর তৈরি/নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচিত মাস্টার ট্রেইনারের মাধ্যমে সুপারভাইজার ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ  দেয়া ‍হয়েছে। একযোগে প্রত্যেক উপজেলার সকল কেন্দ্র চালুপূর্বক সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। ছয় মাস ব্যাপী পাঠদান কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। পাঠদান শেষে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।থার্ড পার্টি মধ্যবর্তী ও চুড়ান্ত মূল্যায়নপূর্বক মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা প্রদান করেছেন।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter