মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

১৯৯১ সালে সমন্বিত উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তার কার্যক্রম(INFEP)বাস্তবায়ন শুরু করা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কর্মসূচি সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯২ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ নামে একটি পৃথক বিভাগ সৃষ্টি করা হয়। এই বিভাগের তত্ত্বাবধানে ইনফেপ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হতে থাকে। তিন বছর মেয়াদী এই প্রকল্পে ১.৬৭ মিলিয়ন নিরক্ষরকে সাক্ষর করার লক্ষ্য নিয়ে ২.৪৭ মিলিয়ন নিরক্ষকে সাক্ষর করে সরকার ও দাতা গোষ্ঠীর সমর্থন অর্জনে সক্ষম হয়। এই কর্মসূচির সাফল্যে দেশে নিরক্ষরতা দূরীকরণে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়। ফলে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার অবকাঠামো সৃষ্টির লক্ষ্যে  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের অধীনে ১৯৯৫ সালে ৩ সেপ্টেম্বর ইনফেপ অফিসকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর বা Directorate of Non-Formal Education(DNFE)-তে উন্নীত করা হয়। দেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার ক্রমবর্ধমান গুরম্নত্ব অনুধাবন করে সরকার ২০০৩ সালের ২ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগকে একটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ে উন্নীত করে।

সরকার ১৭ এপ্রিল ২০০৫ তারিখ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে ২ জানুয়ারি ২০০৬ তারিখ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি জারী করা হয়। উক্ত শিক্ষানীতিতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সেক্টরের এপেক্স বডি হিসেবে কাজ করার জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর  প্রধান কার্যালয়ে ১(এক)জন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ০২(দুই)জন পরিচালক, ০৩(তিন)জন উপ-পরিচালক, ০১(এক)জন সিস্টেম এনালিষ্ট ও ০৬(ছয়)জন সহকারী পরিচালকসহ মোট ৭৫জন কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। অপর পক্ষে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালকের অধীনে ১(এক)জন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং ১(এক)জন এম,এল,এস,এস রয়েছেন। বর্তমানে ব্যুরোর সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ে মোট কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংখ্যা ২৯৬ জন।

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter